শুক্রবার, ২৬ Jun ২০২৬, ০৫:৪১ অপরাহ্ন
শাহাব উদ্দিন সিকদার, মহেশখালী:
দির্ঘদিন সংস্কার না হওয়া মহেশখালী পৌরসভার বাজার জামে মসজিদ রোড় থেকে হিন্দু পাড়া হয়ে কুতুবজুমের ঘটিভাংগা পর্যন্ত প্রধান সড়ক টির কাজ শুরু হতে চলেছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানান, ৫ কোটি ৭৮ লাখ টাকার নির্মাণ ব্যয়ে এই সড়কটির দৈর্ঘ্য হবে প্রায় ৯ কিলো মিটারের মত। চার ভাগে ভাগ করে সড়কটির নির্মাণ কাজ এগিয়ে যাচ্ছে। ইতিমধ্যে ২য় ভাগের কাজ সম্পন্ন হয়েছে। নতুন করে অনুমোদন হয়ে ২য় ধাপের পরবর্তিতে আগামি ১ মাস পরে শুরু হবে ৩য় ধাপের কাজ। এরইমধ্যে সড়কটির টেন্ডার হয়ে গিয়েছে।
সড়ক টি নির্মাণ কাজ শেষ হলে দির্ঘ দিনের দুর্দশা লাঘব হবে এই রোড দিয়ে চলাচলকারি হাজার হাজার মানুষের।
মহেশখালী এল জিই ডি অফিস সুত্রে জানা যায়, মহেশখালী পৌরসভার চৌরাস্তার মোড় থেকে ৮ হাজার ৫০০মিটার রাস্তার ৩ হাজার ৫০০ মিটার রাস্তার কাজ কিছু দিন পুর্বে সম্পন্ন হয়েছে যার ব্যয় ধরা হয়েছিল ১ কোটি ৩০ লাখ টাকা। কয়েক দিন আগে ৩ হাজার ৫০০ মিটারের পর থেকে ৫ হাজার একশত মিটার পর্যন্ত রাস্তা নির্মাণের কাজ অনুমোধন হয়েছে যার ব্যয় ধরা হয়েছে ১ কোটি ৮৯ লাখ টাকা। পরবর্তিতে ৫ হাজার ১০০ মিটার হতে ৮ হাজার ১০০ শত মিটার পর্যন্ত কাজের জন্য টেন্ডার হয়েছে যার মুল্য ১ কোটি ৬৩ লাখ টাকা। এছাড়া ৮ হাজার ১০০ মিটার থেকে ৮ হাজার ৫শত ৪৫ মিটার পযর্ন্ত রাস্তা আর সিসি দ্বারা রাস্তার উন্নয়ন কাজ শেষ হয়েছে যার ব্যয় ছিল ৯৫ লক্ষ টাকা।
উপজেলা ইন্জিনিয়ার সবুজ কুমার জানান ইতিমধ্যে সড়কের দুটি অংশের নির্মাণ কাজ সম্পন্ন হয়েছে। অপর অংশের কাজটিও দ্রুত শুরু হবে এবং টেন্ডার হওয়া অপর অংশটির দ্রুত সময়ে ওয়ার্ক অর্ডার আনার প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে । তিনি আরো বলেন রাস্তর কাজ যাতে টেকসই ও মজবুত হয় সেজন্য ঠিকাদারদের সার্বক্ষনিক মনিটরিং করা হচ্ছে। তিনি প্রতিবেদকে আরো জানান রাস্তার প্রশস্ত হবে ১২ ফুট। এছাড়া যেখানে পানি জমবে সেখানে সেখানে ঢালাই এবং ঝুঁকিপূর্ণ স্থানে গাইডওয়াল নির্মাণ করা হবে।
এলাকাবাসি সুত্রে জনা যায়, রাস্তার কাজ হচ্ছে সেটি অতিব খুশির খবর হলেও এই রাস্তাটি নিয়ে দির্ঘদিন মানুষ বড় কষ্টে আছে বিশেষ করে বটতলা বাজারের অংশ চাদা কাটা গ্রাম ও তাজিয়া কাটা গ্রামের মধ্যবর্তি রাস্তার অংশটি অতিরিক্ত ভাঙ্গা হওয়ার কারণে জনগণ চরম দুর্ভোগের শিকার হচ্ছেন। তাজিয়াকাটা গ্রামের এক দুবাই প্রাবাসী মো. আমিন জানান আগামী বর্ষা মৌসুমে কাজটি যদি শেষ করতে না পারলে নির্মাণ কাজ বাধাগ্রস্ত তো হবেই সাথে সাথে আমাদের আর দুর্ভোগের সীমা থাকবেনা।
এই ব্যাপারে কুতুবজুম ইউনিয়নের চেয়ারম্যান এডভোকেট শেখ কামালের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, বর্তমান শেখ হাছিনার সরকার ,উন্নয়ন বান্ধব সরকার, তিনি এই জনপদের মানুষের জীবনমান উন্নয়ন কাজ করে যাচ্ছেন। এই রাস্তাটি যেহেতু আমার ইউনিয়নের মধ্যদিয়ে বেশির ভাগ অংশ গেছে সেহেতু জনগনের কষ্ট লাগবে যাতে দ্রত সময়ে কাজ শেষ হয় সেজন্য ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান সহ সংশ্লিস্ট সবাইকে দ্রত সময়ে কাজ শেষ করে সে জন্য জোর প্রচেষ্টা চালিয়ে যাব ইনশাআল্লাহ।
ভয়েস/জেইউ।